RESOURCE INTEGRATION CENTRE (RIC)

১৯৮১ সালে সুবিধা বঞ্চিত নারী ও গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠির আর্থ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে  জাতীয় ক্ষেত্রে অবদান রাখার লক্ষ্যকে সামনে রেখে অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) আত্মপ্রকাশ করে। অনুশীলনের মাধ্যমে শিখনের ভিত্তিতে রিক তার কৌশল নির্ধারণ ও কার্যক্রম বিস্তৃত করে থাকে। সংস্থা সমাজসেবা অধিদপ্তর, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো এবং পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনকৃত। রিক গ্রামীণ  উন্নয়ন বিশেষ করে গ্রামীণ নারী  উন্নয়নকে ফোকাস করে দরিদ্র অবহেলিত উপেক্ষিত এবং পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে  শুরু থেকেই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে যদিও প্রথম দিকে দুর্যোগে রিলিফ বিতরন এবং দুর্যোগ পরবর্তি পূনর্বাসন কার্যক্রমের মাধ্যমে সংস্থার পরিচিতি র্বদ্ধি পায়
আমরা দীর্ঘপথ পরিক্রমায় নানা সফলতা ও ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক কাঠামোগত দৃঢ়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।  এখন রিক ঘএঙ জগতে সুপরিচিত।  জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা ফোরামের সক্রিয় সদস্য হিসেবে সময়ের মূল স্রোতের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারায় রিক গৌরব অনুভব করছে। আমাদের কর্ম পরিধি অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় ব্যপ্ত।  জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতাও ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।  
 একটি বহুমুখী উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রিক এক পর্যায়ে প্রবীণদের উন্নয়নে নানা ধরণের কার্যক্রম হাতে নেয় এবং এসংক্রান্ত নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফোরাম ও নেটওয়ার্কে অংশগ্রহণ করে। রিক প্রবীণদের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের প্রবর্তন করে দরিদ্র ও অতিদরিদ্রদেরকে সহযোগিতার নিদর্শন স্বরূপ ঈএঅচ অধিৎফ পায়। ১৯৯১ সালে রিক পিরোজপুর জেলার উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে শ্রেষ্ঠ সেবা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পায় এবং ২০০৪ সালে কক্সবাজার জেলার ঐ বছরের সেরা শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পূরস্কার পায়।
 প্রতিষ্ঠা তারিখ: ০১.০১.১৯৮১
 প্রতিষ্ঠা স্থান : এলাহী চেম্বার, ২১ নং মতিঝিল (তয় তলা), ঢাকা
 প্রতিষ্ঠাতা : ডা: রিজিয়া লায়লা আকবর
 নির্বাহী পরিচালক : আবুল হাসিব খান,  বাড়ী-২১, রোড-১১ (নতুন), পুরাতন ৩২, ২য় তলা, ধানমন্ডি, ঢাকা - ১২০৯.
ফোন: ৮৮০-২-৯১০১৪২১ মোবাইল: ০১৭১১৫৪৮৭৯০
 মিশন বা লক্ষ্য :  গণতন্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও সমতাভিত্তিক একটি সূখী ও সমৃদ্ধিশালী সমাজ প্রতিষ্ঠা।
 উদ্দেশ্য : মানব সম্পদ সমাবেশীকরণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে সামগ্রীক অর্থে দারিদ্র বিমোচনই রিক এর উদ্দেশ্য। রিক তৃণমূল পর্যায়ে সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠির উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন, মানব সম্পদ উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার এবং জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী।
 বিশ্বাস : ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় ভেঙ্গে সকলকে সমানভাবে দেখা, সহমর্মিতা ,মানবিকতা ,নারী পুরুষ সমতা,দরিদ্রদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ,প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ,জবাবদিহিতা ,বৈষম্যহীন আচরণ, দায়িত্বশীলতা ন্যায়পরায়নতা
 রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ও তারিখঃ
ক্রঃ নং    রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ    রেজিষ্ট্রেশন নং    তারিখ
১.        সমাজ কল্যান বিভাগ    ঢ-০১১৬৪    ২৮.০৮.১৯৮২
২.        এনজিও বিষয়ক ব্যুরো    ১৭৭    ২২.১১.৮৪
৩.        মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি    ০০৩৪৯-০১৩৭৫-০০১৬৭    ১৬.০৩.২০০৮
 সদস্যভূক্ত নেটওয়ার্কের নাম :   ঐবষঢ়অমব ওহঃবৎহধঃরড়হধষ, ঋঙজটগ অঝওঅ, ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঋবফধৎধঃরড়হ ড়হ অমবরহম, ঘবঃড়িৎশ ভড়ৎ রহভড়ৎসধঃরড়হ, জবংঢ়ড়হংব ধহফ চৎবঢ়ধৎবফহবংং অপঃরারঃরবং ড়হ উরংধংঃবৎ, ঈড়ধষরঃরড়হ ভড়ৎ টৎনধহ চড়ড়ৎ (ঈটচ), ঠড়ষঁহঃধৎু ঐবধষঃয ঝঁৎারপবং ঝড়পরবঃু, ঈঈঐজই, ঈউএ, অমবরহম জবংড়ঁৎপব ঈবহঃৎব, ঋঘই, ঋড়ৎঁস ভড়ৎ ঃযব জরমযঃং ড়ভ ঃযব ঊষফবৎষু.
 নেতৃত্বদানকারী নেটওয়ার্কের নাম : নিরাপদ, ঋঘই
 এপর্যন্ত যে সকল দাতা সংস্থার কাছ থেকে অনুদান গ্রহন করেছে ঃ
ক) আন্তর্জাতিক পর্যাযের : আইএলও, সেভ দ্য চিলড্রেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, সিডিএমপি, হেল্পএইজ ইন্টারন্যাশনাল, কেয়ার বাংলাদেশ/ইউ এস এইড, এডিবি, বিশ্বব্যাংক, টঘউচ, টঘওঈঊঋ, ঋঅঙ, ঙজইওঝ, ঈড়ৎফ অরফ, , ঝউঈ, এবৎসধহ ঊসনধংংু, ঊঈঙঐ,
খ) দেশীয় পর্যায়ের: পিকেএসএফ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়,জউজঝ
গ) এপর্যন্ত কোন কোন কাজের অধীনে অর্থ প্রাপ্তি: শিক্ষাখাতে-৬৬৯৮৭০৮৩, স্বাস্থ্য- ২১০১৪২৪০, কৃষি এবং খাদ্য নিরাপত্তা-২০২৫৭৭২৯৮, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রান ও পূণর্বাসন- ২৩৩৯৬০৮৭, অধিকার (নারী, শিশু ও প্রবীণ) প্রতিষ্ঠা-২১৪৩৮৭৭২২, অতিদরিদ্রদের সেটেলমেন্ট এবং বাসস্থান পূণ:প্রতিস্থাপন এবং জীবিকায়ন সহায়ক- ১১০৬৭৬২১, পরিবেশ- ২৭৫৩৪২২, বিকল্প কর্মসংস্থান ঋণ সহায়তা- ৩০৪৪২০৯৫০০ (বিগত ১০ বছরের তথ্য)

ঘ) উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগত অর্জনসমূহ : নারীদের আত্ম কর্মসংস্থান - ২২০০০, প্রান্তিক কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে চাষাবাদের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা - ৮৭০০, নারী ও পুরুষের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ – ১৫০০০, শহরের কর্মজীবি শিশুদের মৌলিক শিক্ষা প্রদান – ৮৫২৪, কর্মজীবি শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ - ৫৫০৮০, কর্মজীবি শিশুদের অভিভাবকদের আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়ন - ১০৫৫০, প্রবীণ নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা, দূযোগ ঝুঁকি হ্রাস, বাসস্থান প্রদান - ২১১০০, শহরের নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ - ২৩০০০০
 চলমান কর্মসূচী :
ক্রঃ    কর্মসূচী/ প্রকল্পের নাম (কেন্দ্রীয় পর্যায়)    বরগুনা জেলায় পরিচালিত কর্মসূচি/ প্রকল্প
        দাতা সংস্থা    কর্ম এলাকা    উপকারভোগী    অর্থ বরাদ্দ    প্রকল্প শুরু    প্রকল্প সমাপ্ত
    গধসড়হর – ঐবধষঃয ঝুংঃবস ঝঃৎবহমঃযবহরহম চৎড়লবপঃ    চকঝঋ    বামনা পাথরঘাটা    ২৬৩৩    ২১১৭২১০০০    ১৬-১১-২০০৭    চলমান

 বর্তমান লোকবল :     (৩১/০১/২০১৪ পর্যন্ত)
নীতি নির্ধারণী পর্যায়    ব্যবস্থাপনা পর্যায়    সুপারভাইজার পর্যায়    হিসাব
রক্ষক পর্যায়    মাঠ পর্যায়    কেয়ারটেকার পর্যায়     মোট
নারী    পুরুষ    নাঃ    পুঃ    নাঃ    পুঃ    নাঃ    পুঃ    নাঃ    পুঃ    নাঃ    পুঃ    নাঃ    পুঃ
০৪    ১৫    ১৩    ৩২    -    ১২৪    ১৩    ৮০    ৭৬    ৫৩৬    ০৩    ৩৭    ১০৯    ৮২৪

 কর্মএলাকা                  (৩১/০১/২০১৪ পর্যন্ত)
কর্মসূচীর/ প্রকল্পের নাম    জেলা     উপজেলা    অন্তর্ভূক্ত পরিবার
গধসড়হর – ঐবধষঃয ঝুংঃবস ঝঃৎবহমঃযবহরহম চৎড়লবপঃ    নোয়াখালী    হাতিয়া    ৪০৩০০০
ঠএউ    নওগাঁ    পতœীতলা    ২৪০২৬
ঙষফবৎ ডবষভধৎব ঋঁহফ    ১৭ টি জেলা        ৩৬০০০
ওগচজঊঝঝঊউ    ঢাকা সিটি        ২৩০০০০
টঔঔওইওঞঙ    কক্সবাজার, নোয়াখালী, নওগাঁ, পিরোজপুর    ১৯    
ঈড়সসঁহরঃু ঈষরসধঃব ঈযধহমব চৎড়লবপঃ    কক্সবাজার, মহেশখালী        ২০০০
ঋড়ড়ফ ধহফ ষরাবষরযড়ড়ফ ঝবপঁৎরঃু ঢ়ৎড়লবপঃ    নাটোর    সকল উপজেলা    ২২৭২০
ঝঃৎবহমঃযবহরহম ঐড়ঁংবযড়ষফ অনরষরঃু ঃড় জবংঢ়ড়হফ ঃড়
উবাবষড়ঢ়সবহঃ ঙঢ়ঢ়ড়ৎঃঁহরঃু –
ঝঐঙটঐঅজউঙ ওও    দিনাজপুর    ঘোড়াঘাট    ১৯৪৪৮

 বর্তমান উপকারভোগীর তথ্য :              (৩১/০১/২০১৪ পর্যন্ত)  
ক্র: নং     সর্বমোট উপকারভোগীর সংখ্যা    বরগুনা কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা
        নারী    পুরুষ    শিশু    কিশোর/ কিশোরী    মোট
    ৪৪৮১২৪    ২১৪৭    ৪৮৬    ০    ০    ২৬৩৩

 যেসমস্ত বিধিমালা, নীতিমালা, ম্যানুয়েল আছে : জেন্ডার পলিসি, চাকুরী বিধিমালা, ক্রয় নীতিমালা, মাইক্রোক্রেডিট ম্যানুয়াল, মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল, ফিন্যান্স এ্যান্ড এ্যাকাউন্টস ম্যানুয়াল, স্টাফ প্রভিডেন্ট ফান্ড ম্যানুয়াল।
 অডিট রিপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য : সংস্থার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতিবছরের হিসাব বহি: নিরীক্ষক দ্বারা নিরীক্ষা করাতে হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় নিরীক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। একটি নিরীক্ষা কোম্পানী সর্বাধিক পরপর তিনবার অডিট করতে পারে। ২০১২-১৩ সালে রাজ্জাক এন্ড কো: চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট সংস্থার অডিট সম্পন্ন করেছে। টার্নওভার:
২০১২-১৩ : ৭১০,১৭২,২২৫.০০
২০১১-২০১২: ৪৬৭,০৯৮,৬৪১.০০
২০১০-২০১১: ৬১২,৩৮১,৪০০.০০
 সংস্থার স্থায়ীত্বশীলতা :  সংস্থার নিজস্ব জমির পরিমান ৮.৩৪ একর, মোটরগাড়ী ০৩ টা, ১০০+ মোটর বাইক, প্রতিটি শাখায় কম্পিউটার / ল্যাপটপ রয়েছে। স্থায়ী আমানত বিনিয়োগের পরিমান ১০ কোটি (প্রায়) টাকা।

কেস স্টাডি:
শেফালী বেগম। বয়স ৬০ বছর। স্বামী মৃত আয়ুব আলী খাঁ। পেশা - ব্যবসা (দোকান)। তিনি একজন বৃদ্ধ বয়সী বিধবা। পিরোজপুরের কদমতলা ইউনিয়নের একপাই গ্রামে তার বসবাস। তিনি রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) পরিচালিত প্রবীন সমিতির একজন নিয়মিত সঞ্চয়কারী  সদস্য। তাঁর স্বামীও সংস্থার একজন সদস্য ছিলেন। তার ২ ছেলে এবং ২ মেয়ে। পরিবারটি সম্পূর্ণভাবেই তার আয়ের উপর নির্ভরশীল। শেফালী বেগমের একটি দোকান ছিল বটে কিন্তু তাতে তেমন কোন জিনিষপত্র ছিল না। তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) তাকে সমিতির মাধ্যমে  ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা লোন দিল। লোনের টাকায় সে দোকনের মালামাল ক্রয় করে তার ব্যবসাকে বাড়ালো এবং পাশাপাশি চা বিক্রি শুরু করল। বর্তমানে তার দোকান খুব ভাল চলছে। দোকানে উপার্জিত অর্থে সে তার ব্যবসা সচল রাখার পাশাপাশি নিয়মিত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করছে। শেফালী বেগমের ভাষ্যে, “আমি একজন বয়স্ক মানুষ হওয়ায় কেউ আমাকে কোন টাকা লোন দিচ্ছিল না, কিন্তু রিক আমাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছে এজন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে আমি আমার ব্যবসাটিকে আরো বড় করতে চাই।”